ব্রেকিং
  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata Banerjee Temple Inauguration : মন্দির উদ্বোধনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবার পূজিত দুর্গামন্দিরে নতুন অধ্যায়

Mamata Banerjee Temple Inauguration : মন্দির উদ্বোধনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবার পূজিত দুর্গামন্দিরে নতুন অধ্যায়

চাকাইপুর, রামপুরহাট: নিজের জন্মভিটে, বাবার আরাধ্য মন্দির—সব মিলিয়ে আবেগঘন এক মুহূর্ত অপেক্ষা করছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। শ্রাবণের এক সোমবার তাঁর হাত দিয়েই নব রূপে দ্বারোদঘাটন হতে চলেছে চাকাইপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের। প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দিরে এক সময়....

Mamata Banerjee Temple Inauguration : মন্দির উদ্বোধনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবার পূজিত দুর্গামন্দিরে নতুন অধ্যায়

  • Home /
  • বাংলার রাজনীতি /
  • Mamata Banerjee Temple Inauguration : মন্দির উদ্বোধনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাবার পূজিত দুর্গামন্দিরে নতুন অধ্যায়

চাকাইপুর, রামপুরহাট: নিজের জন্মভিটে, বাবার আরাধ্য মন্দির—সব মিলিয়ে আবেগঘন এক মুহূর্ত অপেক্ষা করছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

চাকাইপুর, রামপুরহাট: নিজের জন্মভিটে, বাবার আরাধ্য মন্দির—সব মিলিয়ে আবেগঘন এক মুহূর্ত অপেক্ষা করছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য। শ্রাবণের এক সোমবার তাঁর হাত দিয়েই নব রূপে দ্বারোদঘাটন হতে চলেছে চাকাইপুর সর্বজনীন দুর্গামন্দিরের।

প্রায় ২০০ বছরের প্রাচীন এই মন্দিরে এক সময় পুজো করতেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাবা প্রমিলেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ঐতিহ্য ও আবেগকে ঘিরে নতুন করে সাজিয়ে তোলা হয়েছে মন্দিরটি। গ্রামবাসীদের দান ও সহায়তায় প্রায় ৫৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে তৈরি হয়েছে এই নতুন মন্দির।

দুর্গাপুজো, কালীপুজো, সরস্বতী পুজো—এই মন্দিরে সারা বছর ধরে চলে নানান ধর্মীয় অনুষ্ঠান। সেই আবেগেরই অংশ মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর শৈশব স্মৃতি, পারিবারিক ইতিহাস—সব মিলে এই মন্দির গ্রামবাসীদের কাছে কেবল ধর্মস্থান নয়, এক ঐতিহ্যের কেন্দ্রবিন্দু।

মন্দির উন্নয়ন কমিটির সদস্যরা ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীর বউদি পম্পা মুখোপাধ্যায়ের মাধ্যমে মমতাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, তিনি যদি উপস্থিত থাকতে না পারেন, তাহলে ভার্চুয়ালি উদ্বোধনে অংশ নেবেন।

বর্তমানে মন্দির চত্বরে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি—আলো, রঙ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবই তুঙ্গে। জেলা প্রশাসন থেকে মন্দিরের নাম পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরে। গ্রামবাসীদের আশা, শৈশবের টানে হয়তো নিজেই চলে আসবেন তাঁদের ‘মেয়ে’।

মন্দির কমিটির সম্পাদক সুদীপ সাহা বলেন, “এই মন্দির আমাদের সংস্কৃতি ও আবেগের অংশ। মুখ্যমন্ত্রী আসছেন বা ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করছেন—এটাই আমাদের জন্য বড় গর্ব।”

পঞ্চায়েত প্রধান তোতা শেখ জানান, “মন্দির নির্মাণে স্থানীয় বিধায়ক ও ব্লক নেতৃত্ব সর্বতোভাবে সহযোগিতা করেছেন। উদ্বোধনের দিন একটি বিশেষ অনুষ্ঠানও রাখা হয়েছে।”

আজকের খবর