শৌনক মন্ডল। কলকাতা সারাদিন।
মেসি শোয়ের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে দিল সিট। টিকিট বিক্রি বাবদ ১৯ কোটি টাকা ওঠে বলে অভিযোগ। টাকা ফেরতের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে পুলিশ। এদিকে, টিকিট বিক্রির বরাত পাওয়া সংস্থা জোম্যাটো কর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে পুলিশ। মেসিকে এদেশে আনেন শতদ্রু দত্ত। ইতিমধ্যে তাঁর অ্যাকাউন্টে ২২ কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। কয়েক জন দর্শকের বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। আরও কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান রেকর্ড করতে পারে পুলিশ। এদিকে শতদ্রু দত্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত। ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতেই থাকতে হবে তাঁকে। এই পরিস্থিতিতে তাঁকে জামিন দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানানো হয়েছে।
জেরায় শতদ্রু জানান, এই সফরের জন্য ৮৯ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল মেসিকে। ভারত সরকারকে ১১ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ মেসির সফরের জন্য ১০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছিল।
ঘটনার দিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন দর্শকের বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, আরও বেশ কিছু দর্শকের বয়ান রেকর্ড করা হবে।
উল্লেখ্য, মেসিকাণ্ডে যুবভারতীতে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির পর বিমানবন্দর থেকে গত ১৩ ডিসেম্বরই গ্রেফতার করা হয় অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক শতদ্রু দত্তকে। তিনি বিমানবন্দরে পৌঁছেছিলেন হায়দরাবাদের বিমান ধরবেন বলে। কারণ কলকাতার অনুষ্ঠানের পরই হায়দরাবাদে মেসির অনুষ্ঠান ছিল। কিন্তু তার আগেই শতদ্রুকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার। তিনি বলেন, ‘সরকার কমিটি গঠন করেছে, আয়োজকদের লিখিত আকারে জবাব দিতে বলা হয়েছে। যে টিকিট বিক্রি হয়েছিল তার টাকা ফেরত দিতে হবে আয়োজকদের, না হলে আইনি ব্যবস্থা। মেসিকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। প্রধান আয়োজককে আটক করা হয়েছে, কাউকে ছাড়া হবে না’।