ব্রেকিং
Latest Posts
  • Home /
  • কলকাতা /
  • অরূপ বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ অনন্যার ওয়ার্ড অফিসে ‘রেটচার্ট’ থেকে বিভিন্ন ফ্লেভারের কন্ডোম! মুকুন্দপুরে তল্লাশিতে চাঞ্চল্য, তোলাবাজি-চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগে তীব্র বিতর্ক

অরূপ বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ অনন্যার ওয়ার্ড অফিসে ‘রেটচার্ট’ থেকে বিভিন্ন ফ্লেভারের কন্ডোম! মুকুন্দপুরে তল্লাশিতে চাঞ্চল্য, তোলাবাজি-চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগে তীব্র বিতর্ক

ডায়েরিতে নাকি ক্লায়েন্টভিত্তিক টাকার হিসাব, চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা, দোতলায় মেকআপ রুম! কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস ঘিরে সরগরম কলকাতার রাজনীতি রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন। কলকাতার (Kolkata) মুকুন্দপুরে (Mukundapur) একটি ওয়ার্ড অফিসকে ঘিরে এমন দৃশ্য সামনে আসবে, তা হয়তো কেউ কল্পনাও....

অরূপ বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ অনন্যার ওয়ার্ড অফিসে ‘রেটচার্ট’ থেকে বিভিন্ন ফ্লেভারের কন্ডোম! মুকুন্দপুরে তল্লাশিতে চাঞ্চল্য, তোলাবাজি-চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগে তীব্র বিতর্ক

  • Home /
  • কলকাতা /
  • অরূপ বিশ্বাস ঘনিষ্ঠ অনন্যার ওয়ার্ড অফিসে ‘রেটচার্ট’ থেকে বিভিন্ন ফ্লেভারের কন্ডোম! মুকুন্দপুরে তল্লাশিতে চাঞ্চল্য, তোলাবাজি-চাকরি বাণিজ্যের অভিযোগে তীব্র বিতর্ক

ডায়েরিতে নাকি ক্লায়েন্টভিত্তিক টাকার হিসাব, চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা, দোতলায় মেকআপ রুম! কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস ঘিরে....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

ডায়েরিতে নাকি ক্লায়েন্টভিত্তিক টাকার হিসাব, চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকা, দোতলায় মেকআপ রুম! কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস ঘিরে সরগরম কলকাতার রাজনীতি

রাহুল সিংহ মজুমদার। কলকাতা সারাদিন।

কলকাতার (Kolkata) মুকুন্দপুরে (Mukundapur) একটি ওয়ার্ড অফিসকে ঘিরে এমন দৃশ্য সামনে আসবে, তা হয়তো কেউ কল্পনাও করেননি। একদিকে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠানে ব্যস্ত স্থানীয় কাউন্সিলর, অন্যদিকে তাঁর অফিসে তল্লাশি ও উদ্ধার হওয়া নানা সামগ্রী ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক তরজা।

 

ঘটনার কেন্দ্রবিন্দু কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) ১০৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় (Ananya Banerjee)। স্থানীয় সূত্রে প্রকাশ্যে আসা কিছু নথি, ডায়েরি এবং অন্যান্য সামগ্রীকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ, ওয়ার্ড অফিসের একটি ঘরে পাওয়া গিয়েছে একাধিক ডায়েরি ও খাতা, যেখানে বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থার নামের পাশে টাকার অঙ্ক লেখা রয়েছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ওই নথিতে প্রোমোটার, চাকরিপ্রার্থী এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের উল্লেখ রয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা এখনও সরকারি ভাবে প্রমাণিত হয়নি।

 

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেন, এলাকায় নির্মীয়মাণ একাধিক প্রকল্প থেকে অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই ছিল। তাঁদের বক্তব্য, উদ্ধার হওয়া খাতাগুলিতে সেই সংক্রান্ত হিসাবের উল্লেখ রয়েছে বলেই সন্দেহ তৈরি হয়েছে।

Annapurna Yojana : অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধে কারা পাবেন? আর কারা পাবেন না? খোলাখুলি ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

সবচেয়ে বেশি আলোড়ন ফেলেছে চাকরি সংক্রান্ত একটি খাতা। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে বিভিন্ন সরকারি ও আধা-সরকারি বিভাগের নামের পাশে কয়েকজন চাকরিপ্রার্থীর নাম নথিভুক্ত ছিল। অভিযোগ উঠেছে, চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে অর্থ নেওয়ার একটি সম্ভাব্য নেটওয়ার্কের ইঙ্গিত মিলেছে ওই নথিতে। যদিও এই অভিযোগেরও স্বাধীন যাচাই এখনও হয়নি।

 

তবে বিতর্কের আগুনে আরও ঘি ঢেলেছে অফিসের দ্বিতীয় তলার ছবি। সেখানে একটি সাজানো-গোছানো মেকআপ রুমের মতো ঘর দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া কিছু ব্যক্তিগত ব্যবহার্য সামগ্রী নিয়েও শুরু হয়েছে জল্পনা। সামাজিক মাধ্যম থেকে রাজনৈতিক মহল— সর্বত্র এখন একটাই প্রশ্ন, একটি ওয়ার্ড অফিসে এমন সামগ্রী কেন রাখা ছিল?

 

এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে শাসকদলের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে বিরোধীরা। বিজেপি (BJP) নেতা রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh) অভিযোগ করে বলেন, সাধারণ মানুষের অর্থ এবং প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ নতুন নয়। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন এবং সমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে আনা উচিত।

 

অন্যদিকে অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত বিতর্কের মধ্যে শান্ত থাকার বার্তাই দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, অফিসে থাকা নথিপত্র ও সামগ্রী নিয়ে অযথা বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, পুরসভার কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ফাইল, ত্রাণসামগ্রী বা অন্যান্য জিনিসপত্র অফিসে থাকতেই পারে। তদন্তকারী সংস্থা বা প্রশাসন যা প্রয়োজন মনে করবে, তা খতিয়ে দেখুক।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনা শুধু একটি ওয়ার্ড অফিসকে ঘিরে বিতর্ক নয়, বরং আগামী দিনে কলকাতার স্থানীয় রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ অভিযোগের তালিকায় রয়েছে তোলাবাজি, চাকরি বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক প্রভাব খাটানোর মতো স্পর্শকাতর বিষয়।

এখন নজর তদন্ত ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। উদ্ধার হওয়া নথিগুলি আদৌ কতটা গুরুত্বপূর্ণ? অভিযোগের পক্ষে কি কোনও প্রমাণ মিলবে? নাকি সবটাই রাজনৈতিক চাপানউতোরের অংশ? মুকুন্দপুরের এই বিতর্ক ঘিরে প্রশ্ন বাড়ছেই। আর সেই প্রশ্নের উত্তরই হয়তো ঠিক করে দেবে— এবার কার জন্য অপেক্ষা করছে সবচেয়ে বড় অস্বস্তি।

আজকের খবর