ব্রেকিং
  • Home /
  • এন্টারটেইনমেন্ট /
  • Prosenjit apology Bangla language controversy : প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাংলা ভাষা’ বিতর্কে ক্ষমা প্রার্থনা ও বাংলা পক্ষের বার্তা

Prosenjit apology Bangla language controversy : প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাংলা ভাষা’ বিতর্কে ক্ষমা প্রার্থনা ও বাংলা পক্ষের বার্তা

জাতীয় সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলা ভাষায় প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে ইংরেজিতে প্রশ্ন করতে বলা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয় বিতর্ক। পরে, বিষয়টি নিয়ে নিজেই একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করে....

Prosenjit apology Bangla language controversy : প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাংলা ভাষা’ বিতর্কে ক্ষমা প্রার্থনা ও বাংলা পক্ষের বার্তা

  • Home /
  • এন্টারটেইনমেন্ট /
  • Prosenjit apology Bangla language controversy : প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ‘বাংলা ভাষা’ বিতর্কে ক্ষমা প্রার্থনা ও বাংলা পক্ষের বার্তা

জাতীয় সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলা ভাষায় প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে ইংরেজিতে প্রশ্ন করতে বলা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন....

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
X
Threads
Telegram

আরও পড়ুন

জাতীয় সাংবাদিক সম্মেলনে বাংলা ভাষায় প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে ইংরেজিতে প্রশ্ন করতে বলা নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েন পশ্চিমবঙ্গের প্রখ্যাত অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে তৈরি হয় বিতর্ক। পরে, বিষয়টি নিয়ে নিজেই একটি লিখিত বিবৃতি প্রকাশ করে ক্ষমা চান অভিনেতা।

📜 কী ঘটেছিল?

এক জাতীয় স্তরের সাংবাদিক সম্মেলনে, একজন সাংবাদিক বাংলা ভাষায় প্রশ্ন করতেই প্রসেনজিৎ তাকে ইংরেজিতে প্রশ্ন করতে অনুরোধ করেন। মুহূর্তেই সেই দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি হয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এর পর থেকেই বাংলা ভাষাপ্রেমীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়।

🧾 প্রসেনজিতের ক্ষমাপ্রার্থনা

প্রসেনজিৎ বলেন, “৪২ বছর ধরে মূলত বাংলায় কাজ করছি। জাতীয় স্তরে কাজের সুযোগ পেলে, সেখানে ভাষার ভারসাম্য রাখতে গিয়ে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। তবে আমি বুঝেছি, এই পদক্ষেপ অনেকের মনে আঘাত দিয়েছে। বাংলা ভাষার প্রতি আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা চিরকাল থাকবে।”

তিনি আরও লেখেন, “আমি দুঃখিত, যদি আমার কথায় কেউ আহত হয়ে থাকেন। আমি কখনও চাইনি বাংলাকে ছোট করতে। আমি সবসময়ই বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির পক্ষেই থেকেছি।”

📣 বাংলা পক্ষের প্রতিক্রিয়া

বাঙালি অধিকার-আন্দোলনমুখী সংগঠন বাংলা পক্ষ এই ঘটনার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা এক বিবৃতিতে বলে, “বুম্বা দা আমাদের মহানায়ক। বাংলার ঘরের ছেলে। তবে বাংলায় প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে বাধা দিয়ে আপনি যে ভুল করেছেন, তাতে বাংলা ভাষার অপমান হয়েছে।”

তারা স্পষ্ট করে বলেন, “হিন্দি জাতীয় স্তরের সিনেমা নয়, সেটিও আঞ্চলিক। সর্বভারতীয় বা জাতীয় সিনেমা বলে কিছু নেই।” বাংলা পক্ষ প্রসেনজিতের কাছে আহ্বান জানিয়েছে, তিনি যেন ভবিষ্যতে বাংলা ও বাঙালির স্বার্থে প্রকাশ্যে বলিষ্ঠ অবস্থান গ্রহণ করেন।

এই ঘটনার মাধ্যমে বাংলা ভাষা ও পরিচয়ের প্রশ্নে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন, অনেকেই মনে করছেন, এই ঘটনার মাধ্যমে উঠে এসেছে বাঙালির ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষার চরম প্রয়োজনীয়তা। বাংলা পক্ষ যেমন বলেছে, “এই মাটিই আপনাকে মহানায়ক বানিয়েছে।” এখন সময় এসেছে বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি এবং পরিচয়ের প্রশ্নে সব স্তরে সাহসিকতা ও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার।

আজকের খবর